চাকরির বয়স বৃদ্ধি প্রসঙ্গে রওশন এরশাদ
চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির মুখপাত্র ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ।
গত রবিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “চাকরিতে প্রবেশের বয়স সীমা ৩৫ বছর করা এখন সময়ের দাবি।”
তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর ১৬২টি দেশে চাকরির আবেদনের সময়সীমা ৩৫ থেকে ৫৯ বছর পর্যন্ত; বয়সই বড় কথা নয়, যোগ্যতাই বড় কথা। আমাদের দেশের বয়সের এই সময়সীমা পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। লেখাপড়া শেষ করতেই ছাত্র-ছাত্রীদের ২৮ বছর অতিবাহিত হয়ে যায়, কত কষ্টে লেখাপড়া করে চাকরি না পেয়ে ৩০ বছর চলে যাওয়ার পর মনের দুঃখে হতাশ হয়ে সার্টিফিকেট জালিয়ে ফেলে দেয় যা অত্যন্ত দুঃখের এবং তা আমাদের অন্তরাত্মাকে স্পর্শ করে।

বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, এই সরকারের আমলে শিক্ষা ও উচ্চ শিক্ষার হার ঠিকই বেড়েছে, ছেলে-মেয়েদের চাকরি হয়েছে কিন্তু বেকারত্বের হারও হু হু করে বেড়ে চলেছে। এই বেকারত্ব দূর করতে হলে শিক্ষার্থীদের গতানুগতিক ধারায় শুধু শিক্ষিত করলে চলবে না, কারিগরি শিক্ষার উপর সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দিতে হবে। কেবলমাত্র প্রাইভেট সেক্টরে ডিপ্লোমা কোর্স দিয়ে শিক্ষিত করলে হবে না, কারিগরি শিক্ষার জন্য উচ্চতর শিক্ষারদ্বারও উন্মোচন করতে হবে। সরকারি-বেসরকারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে অবিলম্বে কারিগরি শিক্ষার বিষয়গুলো চালু করা উচিত হোক।
তিনি আরো বলেন, শুধুমাত্র বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে ই শিক্ষার মান বিবেচনা করা যায় না। কারণ একটি বিসিএস পরীক্ষায় মাত্র ৪ থেকে ৫ হাজার ছেলে-মেয়েদের চাকরি হয়। বর্তমানে দেশে বেকার যুবকদের সংখ্যা আছে ২৬ লাখের উপরে। সুতরাং তাদের কথা বিবেচনা করে, তাদেরকে অবশ্যই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।





